ঢাকা, সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

দেশে কমেছে মৃত্যু বেড়েছে শনাক্ত

ads

করোনাভাইরাস শনাক্তের টেস্টের জন্য দেশের বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে


দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত এক দিনে আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে; যেখানে গতকাল (মঙ্গলবার) ২৬ জনের মৃত্যুর খবর দিয়েছিলো স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এছাড়া ১ হাজার ৮৬৫ জনের মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে; যেখানে গতকাল ছিলো ১ হাজার ৭১৯ জন।


বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


দৈনিক শনাক্ত রোগীর এই সংখ্যা গত তিন মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। এর আগে গতবছরের ১৫ ডিসেম্বর এর চেয়ে বেশি রোগী শনাক্তের খবর দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেদিন মোট ১ হাজার ৮৭৭ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছিল।


বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত আরও এক হাজার ৮৬৫ জনের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়ায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫ লাখ ৬২ হাজার ৭৫২ জন হয়েছে।


আর গত এক দিনে মারা যাওয়া ১১ জনকে নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে মৃত্যু বেড়ে ৮ হাজার ৬০৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও এক হাজার ৫১০ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন গত এক দিনে। তাতে এ পর্যন্ত সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে ৫ লাখ ১৫ হাজার ৯৮৯ জন হয়েছে।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশের সরকারি-বেসরকারি ২১৯টি ল্যাবে ২৪ হাজার ২৭৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৪৩ লাখ ২৮ হাজার ২৬৯টি নমুনা।


এ পর্যন্ত সরকারি ব্যবস্থাপনায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৩ লাখ ৪ হাজার ৮৫৭টি। আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হয়েছে ১০ লাখ ২৩ হাজার ৪১২টি।


শনাক্তের হার গত দুদিন ধরে কিছুটা কমছে। আগের দুই দিন শনাক্তের হার ছিল ৮ দশমিক ২৯ এবং ৯ দশমিক ৪৮ শতাংশের পর গত ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ছিল ৭ দশমিক ৬৮ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ৬৯ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৩ শতাংশ।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত এক দিনে যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ৮ জন পুরুষ আর নারী ৩ জন। তাদের প্রত্যেকেই হাসপাতালে মারা গেছেন।


২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ে মারা যাওয়া ১১ জনের মধ্যে ৮ জনেরই বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি। এছাড়া ৩ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে।

ads
ads
ads

Our Facebook Page